প্রধান শিক্ষক

প্রধান শিক্ষক
এইস এম জসিম উদ্দিন

প্রধান শিক্ষক

সাগরবিধৌত নদ-নদী তাল তমাল দ্বারা বেষ্টিত প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি এককালের বাংলার শষ্য ভান্ডার ও প্রাচ্যের ভেনিস বরিশাল শহরের প্রানকেন্দ্রে কে.বি হেমায়েত উদ্দিন রোডে অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে প্রায় 2 একর জমির উপর আছমত আলী খান (এ, কে) ইনষ্ঠিটিউশন, অসস্থিত। এটি 1913 সনে প্রতিষ্ঠিত এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী ভাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। এ এক্কালের মুসলমান ছেলে মেয়ে শিক্ষিত করার চিন্তা ভাবনা নিয়ে খানবাহাদুর হেমায়েত উদ্দিন খান তৎকালীন শহরের প্রভাবশালী ইসমাইল হোসেনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ইহা প্রতিষ্ঠা করেন। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পরবর্তী সময় থেকে শিক্ষা বিস্তারে আগ্রনী ভুমিকা পালন করে আসছে। অত্র প্রতিষ্ঠানের অনের ছাত্র লন্ডন, আমেরিকা সহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপদে চাকুরী করছেন এবং অনের মন্ত্রী চীপ হুইপ, উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও আছেন। সাবেক ছাত্রবৃন্দের কয়েক জনের নাম সাবেক চীপ হুইপ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, চীপ হুইপ আ,স,ম ফিরোজ, বর্তমান সরকারের সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ভাষা সৈনিক ও কলামিষ্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী নাজিউর রহমান মঞ্জুর, কৃষক লীগের সহ-সভাপতি খান আলতাফ হোসেন ভুলু। যুবদলের সভাপতিত্ব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জেড আই খান পান্নাসহ বহু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ও কলেজ বিশ্ব-বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান, ব্যবসা শিক্ষা ও মানবিক বিভাগ চালু আছে। আরো আছে কম্পিউটার ও কৃষি বিষয় নিয়ে পড়ার সুযোগ। প্রচুর বৃক্ষরাজি সমৃদ্ধ পরিছন্ন ক্যাম্পাস, আধুনিক যন্ত্রপাতি সম্বলিত গভেষনাগার ১টি কম্পিউটার ল্যাব, সমৃদ্ধ পাঠাগার, সবুজ মাঠ, দক্ষ শিক্ষক, কর্মচারী এ স্কুলের গৌরব।

বর্তমানে বিদ্যালয়ে প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। তাছাড়া প্রায় ২০ জন শিক্ষক কর্মচারী রয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার সাথে সাথে বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম ও নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষা সাংস্কৃতি ও ক্রীড়ার মানোন্নয়নে ছাত্র, শিক্ষক, কর্মচারী ম্যানেজিংকমিটির বর্তমান সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে অচিরেই এ বিদ্যালয়টি একটি উল্লেখযোগ্য মানসম্মত বিদ্যালয়ে পরিনত হবে বলে আমি আশা করিছি।